History

নব প্রজন্ম একাডেমির যাত্রা শুরু হয়েছিলো অন্য আঙ্গিকে। চিন্ময় সেন গুপ্ত, সুজন সেন গুপ্ত, অসীম কুমার সরকার, জাহাঙ্গীর আলম, শফিক কলিম দিপন চন্দ (বর্তমানে উচ্চ শিক্ষার্থে আমেরিকা প্রবাসী) সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে ভালো কিছু করার মানসিকতা নিয়ে একত্রিত হন। বেশ কয়েক দফা আলোচনার পর ১৯৯৪ সালের মে জন্ম হয়নব প্রজন্মের সৈনিকসংগঠনের। শুরুতে ধ্যান-ধারনা ছিলো নাটক কেন্দ্রিক।
১৯৯৯ সালে সংগঠনের নাম পরিবর্ধন করা হয়নব প্রজন্ম মটো হয়বিশ্ব বিনির্মাণে শিশু ২০০৭ সালে সংগঠনের নাম পরিবর্ধণ করা হয়নব প্রজন্ম একাডেমি ২০০৩ সালের পর থেকে আরো গতিশীল হয় সংগঠনের কার্যক্রম। বাড়ে সদস্য সংখ্যা কাজের পরিধি
১৯৯৭ সালে ১৮টি স্কুলে সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা করা হয়। ১৯৯৭ সালে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় নিবন্ধিত হয়৯৯নং নব প্রজন্ম মুক্ত স্কাউটস্ গ্রুপ স্বাধীনতা দিবস বিজয় দিবস সহ বিভিন্ন রাস্ট্রিয় কার্যক্রমে অংশ নিতে থাকে
নামে জেলায় জাতীয় বিজ্ঞান মেলার জেলা পর্যায়, স্বাধীনতা বিজয় দিবসের কুচ-কাঁওয়াজ, ভাষাশহীদ দিবসে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলী, বাংলা নববর্ষ উদযাপন পর্ব চলতে থাকে। সদস্যদের ক্রীড়া, সাধারণ জ্ঞান, গান, আবৃত্তি প্রতিযোগিতা হয়। সমাজের দরিদ্র, বঞ্চিত, অবহেলিত শিক্ষার্থীদের বই, খাতা, কলম, স্কুলের বেতন দেয়া হয়। প্রকাশিত হয় দেয়ালিকানির্ঝর ১৯৯৯ এটা আট পৃষ্ঠার ট্যাবলয়েড পত্রিকা আকারে প্রকাশ পায়। এ প্রচেষ্টায় সহযোগিতা করেছেন আবদুর রশিদ খান, মো. আলতামাস, ফকির আসাদুজ্জামান, কাজী রেজাউল করিম খান, সৈয়দ আহমেদ বিপু।
সামাজিক দায়বদ্ধতায় দক্ষিণ জামতলা পঞ্চায়েত কমিটির সহযোগিতায় মশক নিধনে অষুধ ছিটানো, ড্রেন ডোবা পরিস্কার করা হয়। শীত কালে শীতার্তদের শীতবস্ত্র, ঈদের সময় নতুন পোষাক সেমাই-চিনি বিতরণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের প্রতিমাসে খাতা, কলম প্রদান করা হচ্ছে। সাংস্কৃতিক চর্চার অংশ হিসাবে ভাষাশহীদ স্বাধীনতা দিবসে সাধারণ জ্ঞান, চিত্রাঙ্কন, গণিত অলিম্পিয়াড সহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়
বহু বাঁধা-বিপত্তি পেরিয়ে ১৯৯৪ সাল থেকে নব প্রজন্ম একাডেমি নিজ গতিতে ধাবমান...